1. admin@kalomkantho.net : admin :
সোমবার, ১৮ অক্টোবর ২০২১, ১১:৩১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
আটঘরিয়ায় ইউপি নির্বাচনে নৌকাপ্রত্যাশী প্রবীণ রাজনীতিবিদ মহসিন মোল্লা ঝিকরগাছা উপজেলায় নৌকা পেল যারা শেখ রাসেলের জন্মদিনে ঢাকা মহানগর বঙ্গবন্ধু পরিষদের নানা কর্মসূচি ঝিকরগাছায় ৭৫ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে স্বেচ্ছাসেবক লীগের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি শুরু ঝিকরগাছা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক শামীম রেজা সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ঝিকরগাছার গরিবের ডাক্তার হাবিবুরের মৃত্যু, সাবেক এমপি মনিরের শোক ঝিকরগাছা থানায় ওপেন হাউজ ডে অনুষ্ঠিত ঝিকরগাছায় আ. লীগ নেতার মৃত্যু, স্বেচ্ছাসেবক লীগ আহ্বায়ক কালামের শোক যশোরে চাঁদাবাজির মামলায় ছাত্রলীগের সাবেক নেতা গ্রেফতার যুবলীগ থেকে ব্যারিস্টার সুমনকে অব্যাহতি

চৌগাছায় মাইকে ঘোষণা দিয়ে মারামারির চেষ্টা: পুলিশের হস্তক্ষেপে শান্ত

  • আপডেট টাইম বুধবার, ৬ জানুয়ারী, ২০২১
  • ৭৩ ভিউ টাইম
আঃ জলিল
যশোরের চৌগাছায়  এক সপ্তাহের ব্যবধানে পরপর দুই দিন মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে মারামারি করার প্রস্তুতি নিলেও পুলিশের হস্তক্ষেপে তা শেষ র্পযন্ত পরিস্থিতি শান্ত হয়।
জানাগেছে, গত এক সপ্তাহ আগে চৌগাছা সদর ইউনিয়ন পরিষদের ডিজিটাল সেন্টারে কর্মরত উদ্যোক্তা লিপি খাতুন কয়ারপাড়া গ্রামে যান। কয়ারপাড়া-দফাদারপাড়া সড়কের একটি ফলকের ফটো সংগ্রহ করার সময় স্থানীয়দের সাথে তার কথাকাটাকাটি হয় তার। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে কয়ারপাড়া ও লস্কারপুর গ্রামবাসির মধ্যে সৃষ্টি হয় দ্বন্দ্ব।
ঘটনার একদিন পর দুই গ্রামবাসি মারামারি করার জন্য মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে একত্রিত হতে থাকেন। উভয় গ্রামের মানুষ নিজ নিজ গ্রামে একত্রিত হয়ে পরবর্তীতে মারামারি থেকে তারা বিরত থাকেন। ৫ জানুয়ারি মঙ্গলবার সন্ধ্যার পর পুনরায় দুই গ্রামের মানুষ মারামারি করতে আবারও মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে একত্রিত হতে থাকেন।
এ খবর ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় আহমদ নগর বাজারের সকল ব্যবসায়ী ব্যবসা গুটিয়ে দ্রুত নিরাপদে চলে যান। গ্রামের সাধারণ মানুষও দ্রুত ঘরে উঠে দরজা জানালা বন্দ করে নিরাপদে থাকেন। খবর পেয়ে থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌছালে উভয় গ্রামের মানুষ নিজ নিজ গন্তব্যে চলে যান।
দুই গ্রামের একাধিক বয়োবৃদ্ধসহ সাধারন বাসিন্দারা জানান, যুগযুগ ধরে দুই গ্রামের মানুষ শান্তিতে বসবাস করে আসছে। কখনও কোন দ্বন্দ্ব হয়নি, অথচ একটি তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে এখন প্রায় দিনই উত্তেজনা দেখা দিচ্ছে। মসজিদের মাইকে ঘোষণা শোনার পরপরই মানুষের মাঝে আতংক ছড়িয়ে পড়ছে। এ নিয়ে গ্রামের সাধারন মানুষ চরম নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে আছে।
চৌগাছা সদর ইউনিয়নে কর্মরত উদ্যোক্তা লিপি খাতুন বলেন, ‘একটি প্রজেক্টের জন্য সড়কের ফলকের ছবি তুলতে যাই। সড়কটি নির্মাণ করার সময় ওই ফলক রাস্তার নিচে পড়ে যায়। আমরা সেটিকে সড়কে তুলে ছবি নিয়ে চলে আসার সময় স্থানীয়দের সাথে কিছুটা ভুল বোঝাবোঝি হয়। পরবর্তীতে জানতে পারি এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই গ্রামের মানুষ দ্বন্দ্বে জড়িয়ে পড়েছে।’
কয়ারপাড়া গ্রামের ৩ নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য হাবিবুর রহমান জানান, তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে গত এক সপ্তাহ ধরে দুই গ্রামের মানুষের মধ্যে বেশ উত্তেজনা দেখা দিয়েছে। মঙ্গলবারও রাতে মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে বলা হয়. ‘লস্কারপুর গ্রামের মানুষ আক্রমণ করতে আসছে। সঙ্গে সঙ্গে আমি আমার গ্রমাবাসিকে বোঝানোর চেষ্টা করি, পরবর্তীতে থানা পুলিশ এলে সকলেই শান্ত হয়ে যায়।’
লস্কারপুর গ্রামের ৪ নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য ইসাহক আলীর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, গ্রামের কিছু ছেলের সাথে কয়ারপাড়া গ্রামবাসির কথা কাটাকাটি হয়। বিষয়টি নিয়ে আমি গ্রামবাসির সাথে কথা বলেছি। তারপরও মঙ্গলবার পুনরায় দুই গ্রামের মানুষের মাঝে উত্তেজনা দেখা দেয়। বিষয়টি দ্রুত সমাধানের চেষ্টা চলছে।’
সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলামের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘একটি জরুরী কাজে ঢাকায় এসেছি। মঙ্গলবারের ঘটনা জানার পরপরই সেখানে পুলিশ যায় এবং উভয় গ্রামের মানুষকে শান্ত করেন। আমি এলাকায় ফিরে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যনসহ দুই গ্রামের মানুষকে নিয়ে বসে এর একটি সমাধান করবো।’
থানার এসআই বজলুর রহমান বলেন, মঙ্গলবার সন্ধ্যার পর এমন খবরে আমরা দ্রুত ঘটনাস্থলে যাই এবং স্থানীয়দের সাথে কথা বলি। বর্তমানে এলাকা শান্ত অবস্থা বিরাজ করছে। তিনি আরো জানান স্বল্প সময়ের মধ্যে এই সমস্যার স্থায়ী সমাধান হয়ে যাবে।
কলমকণ্ঠ/আইআর

সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই কেটাগরির আরো খবর
' অনুমতি ব্যতিত কপিরাইট দণ্ডনীয় অপরাধ'
Theme Customized By kalomkantho.net