1. admin@kalomkantho.net : admin :
সোমবার, ১৮ অক্টোবর ২০২১, ১০:২১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
আটঘরিয়ায় ইউপি নির্বাচনে নৌকাপ্রত্যাশী প্রবীণ রাজনীতিবিদ মহসিন মোল্লা ঝিকরগাছা উপজেলায় নৌকা পেল যারা শেখ রাসেলের জন্মদিনে ঢাকা মহানগর বঙ্গবন্ধু পরিষদের নানা কর্মসূচি ঝিকরগাছায় ৭৫ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে স্বেচ্ছাসেবক লীগের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি শুরু ঝিকরগাছা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক শামীম রেজা সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ঝিকরগাছার গরিবের ডাক্তার হাবিবুরের মৃত্যু, সাবেক এমপি মনিরের শোক ঝিকরগাছা থানায় ওপেন হাউজ ডে অনুষ্ঠিত ঝিকরগাছায় আ. লীগ নেতার মৃত্যু, স্বেচ্ছাসেবক লীগ আহ্বায়ক কালামের শোক যশোরে চাঁদাবাজির মামলায় ছাত্রলীগের সাবেক নেতা গ্রেফতার যুবলীগ থেকে ব্যারিস্টার সুমনকে অব্যাহতি

নেতৃত্বশূন্য যশোর জেলা ছাত্রলীগ

  • আপডেট টাইম সোমবার, ৪ জানুয়ারী, ২০২১
  • ৭১ ভিউ টাইম

নিজস্ব প্রতিবেদক

যশোরে ছাত্রলীগের দুই প্রধান ইউনিট নেতৃত্ব শূন্য রয়েছে। দুই বছর ধরে জেলা ছাত্রলীগের কমিটি বিলুপ্ত আছে। যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ইউনিটের কমিটি নেই এক বছরের বেশি সময় হলো। ক্ষমতাসীন দলের ছাত্র সংগঠনের দুটি গুরুত্বপূর্ণ ইউনিটের সাংগঠনিক অবস্থা অনেকটা ঝিমিয়ে পড়েছে। একই সাথে বেশিরভাগ উপজেলা, পৌর ও কলেজ ইউনিটের কমিটি মেয়াদ উত্তীর্ণ। বিবাহিত, চাকরিজীবীদের দখলে থাকায় নতুন নেতৃত্বের বিকাশ ঘটছে না। অবিলম্বে রাজপথের নিবেদিত কর্মীদের সমন্বয়ে নতুন কমিটি গঠনের দাবি পদপ্রত্যাশীদের।

জানা যায়, ২০১৯ সালের ১৯ মার্চ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি রেজওয়ানুল হক চৌধুরী শোভন ও সাধারণ সম্পাদক গোলাম রব্বানী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ছালছাবিল আহমেদ জিসানকে স্থায়ীভাবে বহিস্কার করা হয়। একই সঙ্গে জেলা কমিটি বিলুপ্ত করা হয়।
এর আগে ২০১৭ সালের ১০ জুলাই যশোর জেলা ছাত্রলীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সম্মেলনের এক সপ্তাহ পর রওশন ইকবাল শাহীকে সভাপতি ও ছালছাবিল আহমেদ জিসানকে সাধারণ সম্পাদক করে দুই সদস্যের কমিটি ঘোষণা করা হয়। দুই সদস্যের ওই কমিটি দুই বছর দায়িত্ব পালন করলেও পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনে ব্যর্থ হয়।

প্রায় দুই বছর ধরে নেতৃত্ব শূণ্য রয়েছে যশোর জেলা ছাত্রলীগ।জেলা ছাত্রলীগের মতো কমিটি শুণ্য না হলেও জেলার বিভিন্ন উপজেলা, পৌর ও ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাংগঠনিক অবস্থাও একেবারেই ভেঙে পড়েছে। দীর্ঘদিনের মেয়াদোত্তীর্ণ এসব কমিটির কার্যক্রম এখন নেই বললেই চলে।
যশোর সদর উপজেলা ও পৌর ছাত্রলীগের সবশের্ষ ২০১৫ সালে আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়। সেই কমিটির মেয়াদ ছিল তিন মাস। কিন্তু ৯০ দিনের সেই কমিটি চলছে ছয় বছর ধরে।
যশোর শহরের গুরুত্বপূর্ণ দুইটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান যশোর সরকারি এমএম কলেজ ও যশোর সরকারি সিটি কলেজেও ছাত্রলীগের সাংগঠনিক অবস্থা আশানুরুপ নয়। যশোর সদর উপজেলার মতো জেলার অন্যান্য উপজেলাতেও সংগঠনটির সাংগঠনিক অবস্থা খুব খারাপ। শীর্ষনেতারা অধিকাংশই বিয়ে করে সংসার জীবনে প্রবেশ করেছেন। যাদের সাথে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের এখন আর কোন সম্পর্ক নেই। যোগাযোগ নেই সাধারণ শিক্ষার্থীদের সাথেও। অনেকে আবার বিতর্কিত কর্মকান্ডের সাথেও জড়িয়ে পড়ছেন। ঝিকরগাছা উপজেলায় ও চলছে মেয়াদোত্তীর্ণ, বয়স শেষ ও বিবাহিত নেতাকর্মীদের অসাংগঠনিক কর্মকান্ডে বিতর্কিত কমিটি। তাদেরও নেই কোন সাংগঠনিক কার্মকান্ড।
সরকারি মাইকেল মধুসূদন (এমএম) কলেজ ছাত্রলীগের সহসভাপতি ইমরান হোসেন বলেন, অভিভাবক শূণ্য থাকায় সংগঠনে শৃংখলা নেই। যে যার মত ছাত্রলীগ ব্যানার ব্যবহার করছে। বিক্ষিপ্তভাবে সাংগঠনিক কর্মসূচি পালন হয়। এতে সাংগঠনিক ভিত্তি মজবুত হচ্ছে না। গতিশীল সংগঠনের জন্য নতুন কমিটি দেয়ার দাবি করছি।
যশোর জেলা ছাত্রলীগের সদ্য সাবেক সভাপতি রওশন ইকবাল শাহী বলেন, কমিটি না থাকায় সাংগঠনিক কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়েছে। নেতৃত্ব শূণ্যতায় সাংগঠনিক কার্যক্রমে সমন্বয় নেই। সংগঠনকে গতিশীল করতে দ্রুত কমিটি অনুমোদনের দাবি করছি।

এদিকে, ২০১৯ সালের ৩ নভেম্বর যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (যবিপ্রবি) ছাত্রলীগের কমিটি বিলুপ্ত করা হয়। একই সঙ্গে পদ প্রত্যাশীদের বায়োডাটা আহবান করা হয়। ওই বছরের ১০ নভেম্বরের মধ্যে সভাপতি ও সম্পাদক পদ প্রত্যাশীরা বায়োডাটা জমা দেন। এক বছর পার হয়ে গেলেও কমিটি অনুমোদন দেয়া হয়নি। এর আগে ২০১৪ সালের ১৬ মে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের তৎকালীন সভাপতি বদিউজ্জামান সোহাগ ও সাধারণ সম্পাদক সিদ্দিকী নাজমুল আলমের স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে সুব্রত বিশ্বাসকে সভাপতি ও এসএম শামীম হাসানকে সাধারণ সম্পাদক করে এক বছর মেয়াদি যবিপ্রব ছাত্রলীগের ৫৪ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি ঘোষণা করা হয়। এই কমিটির মধ্যদিয়েই বিশ্ববিদ্যাল ছাত্রলীগের যাত্রা শুরু হয়। এক বছরেও কমিটি অনুমোদন না দেয়ায় স্থবির হয়ে পড়েছে ছাত্রলীগের সাংগঠনিক কার্যক্রম।

যবিপ্রবি শহীদ মশিয়ুর রহমান হল ছাত্রলীগের সভাপতি বিপ্লব দে শান্ত বলেন, এক বছর আগে পদপ্রত্যাশীদের বায়োডাটা জমা নিয়েছে কেন্দ্র। পদপ্রত্যাশী অনেকের লেখাপড়া শেষের দিকে। অনেকে দীর্ঘদিন রাজনীতি করেও দলীয় পদপদবী বঞ্চিত। নতুন নেতৃত্ব না আসায় তারা হতাশ। সংগঠনকে শক্তিশালী করার জন্য নতুন কমিটি জরুরী।
যবিপ্রবি ছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আফিকুর রহমান অয়ন বলেন, করোনায় বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ থাকলেও অনলাইন ক্লাস চলছে। এতে শিক্ষাবর্ষ চলমান থাকলেও নেতৃত্ব থেমে আছে। ফলে সিনিয়র-জুনিয়ার নেতৃত্ব জট তৈরি হচ্ছে। নতুন কমিটির মাধ্যমে নেতৃত্বের বিকাশ ঘটাতে হবে। এজন্য দ্রুত কমিটি ঘোষনার দাবি করছি।
কলমকণ্ঠ/আইআর

সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই কেটাগরির আরো খবর
' অনুমতি ব্যতিত কপিরাইট দণ্ডনীয় অপরাধ'
Theme Customized By kalomkantho.net