1. admin@kalomkantho.net : admin :
সোমবার, ১৮ অক্টোবর ২০২১, ১০:৩৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
আটঘরিয়ায় ইউপি নির্বাচনে নৌকাপ্রত্যাশী প্রবীণ রাজনীতিবিদ মহসিন মোল্লা ঝিকরগাছা উপজেলায় নৌকা পেল যারা শেখ রাসেলের জন্মদিনে ঢাকা মহানগর বঙ্গবন্ধু পরিষদের নানা কর্মসূচি ঝিকরগাছায় ৭৫ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে স্বেচ্ছাসেবক লীগের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি শুরু ঝিকরগাছা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক শামীম রেজা সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ঝিকরগাছার গরিবের ডাক্তার হাবিবুরের মৃত্যু, সাবেক এমপি মনিরের শোক ঝিকরগাছা থানায় ওপেন হাউজ ডে অনুষ্ঠিত ঝিকরগাছায় আ. লীগ নেতার মৃত্যু, স্বেচ্ছাসেবক লীগ আহ্বায়ক কালামের শোক যশোরে চাঁদাবাজির মামলায় ছাত্রলীগের সাবেক নেতা গ্রেফতার যুবলীগ থেকে ব্যারিস্টার সুমনকে অব্যাহতি

মুলার কেজি ২৫ পয়সা!

  • আপডেট টাইম সোমবার, ২১ ডিসেম্বর, ২০২০
  • ১১৩ ভিউ টাইম

কলম কণ্ঠ ডেস্ক :

শীতকালীন সবজি মুলা চাষ করেছেন লালমনিরহাটের অনেক কৃষক। পরিষ্কার করতে না পারায় একই জমিতে আলু রোপণে দেরি হয়ে যাচ্ছে। কারণ মুলার কোনো ক্রেতা নেই, যারা আসছেন প্রতি মণ ১০-১৫ টাকা বলছেন। ফলে মুলাই এখন গলার কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছে জেলার অনেক কৃষকের।আলু রোপণের স্বার্থে তারা এখন পাইকারদের নামমাত্র মূল্যে মুলা দিয়ে দিচ্ছেন।

লালমনিরহাট জেলা কৃষি বিভাগ জানায়, পাঁচ উপজেলায় চলতি মৌসুমে ৭ হাজার ৮১৩ হেক্টর জমিতে আলুসহ বিভিন্ন সবজি চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। সুনির্দিষ্টভাবে কতটুকু জমিতে মুলা চাষ হয়েছে তা জানা না গেলেও লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অনেক বেশি জমিতে মুলা চাষ হয়েছে বলে জানিয়েছে কৃষি বিভাগ।

আক্ষেপ করে চাষিরা বলছেন, আগাম মুলা নষ্ট হয়েছে বৃষ্টি-বন্যাতে। দ্বিতীয় দফায় ফলন ভালো হলেও দাম নেই। এক মণ মুলা বেচে ১০০ গ্রাম চালও কেনা যাচ্ছে না। আদিতমারী উপজেলার সারপুকুর ইউনিয়নের কৃষকরা জানান, প্রতি দোন জমির (২৭ শতক) মুলা বিক্রি করেও ১ হাজার টাকা পাওয়া যাচ্ছে না।

পরবর্তী ফসল আবাদের সময় ফুরিয়ে যাচ্ছে। আলু ও ভুট্টা লাগানোর জন্য ব্যবসায়ীদের এখন তারা বিনামূল্যে মুলা দিচ্ছেন। তারা নিজ খরচে তুলে নিয়ে যাচ্ছেন।

সীমান্তবর্তী দুরাকুটি গ্রামে গিয়ে দেখা যায়, চাষিরা ট্রাক্টর দিয়ে মুলাক্ষেত নষ্ট করছেন। চাষিরা বলেন, এবার ১০ বিঘা জমিতে মুলা চাষ করেছি। প্রথমবার ৪৫ ও দ্বিতীয়বার ৫০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। দাম না পাওয়ায় নিজেই মুলা নষ্ট করছি। ভুট্টা-আলু লাগালে হয়তো ক্ষতি কিছুটা পোষানো যাবে।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপপরিচালক মো. শামীম আশরাফ বলেন, যেকোনো ফসল ফলানোর আগে চাহিদার বিষয় খেয়াল রাখা দরকার। এব্যাপারে কৃষি বিভাগ থেকে বারবার বলার পরও কৃষকরা আমলে না নেওয়ায় এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে বলে মনে করেন এই কর্মকর্তা।

কলম কণ্ঠ / ইআর

সামাজিক মিডিয়া এই পোস্ট শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই কেটাগরির আরো খবর
' অনুমতি ব্যতিত কপিরাইট দণ্ডনীয় অপরাধ'
Theme Customized By kalomkantho.net